শিক্ষাঙ্গন

পাবনায় নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ গেলো ইবি শিক্ষার্থীর

প্রিন্ট
পাবনায় নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ গেলো ইবি শিক্ষার্থীর

ছবি : সংগৃহীত


প্রকাশিত : ৫ এপ্রিল ২০২৫, সন্ধ্যা ৬:৩১

ঈদের ছুটিতে স্বামীর সঙ্গে নদীতে বেড়াতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাসুদা মাহজাবিন মৌ। তিনি পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বনগ্রাম বাজারের ব্যবসায়ী মানিকুজ্জামান মানিকের মেয়ে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। 

শনিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবারিয়ায় এলাকায় পদ্মা নদী থেকে নৌকাডুবির ১৬ ঘণ্টা পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত হওয়া তার স্বামী পাবনার সদর উপজেলার কোলচড়ি গ্রামের দুলাল প্রামানিকের ছেলে হৃদয় খান (২৩)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকালে সাতবারিয়ায় পদ্মা নদী এলাকায় বেড়াতে যান অনেকেই। এক পর্যায়ে ঘুরতে যাওয়া ২০ থেকে ২৫ জন শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকায় ওঠেন। মাঝনদীতে হঠাৎ করে স্রোতে নৌকাটি ডুবে যায়। এ সময় সবাই সাঁতরে নদী পার হতে পারলেও হৃদয় খান ও তার স্ত্রী নিখোঁজ হন।

খবর পেয়ে নাজিরগঞ্জ নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্য ও সুজানগর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল শুক্রবার থেকেই উদ্ধার অভিযান শুরু করলেও তাদের সন্ধান মেলেনি। পরবর্তীতে শনিবার সকাল থেকে আবারও অভিযান শুরু হলে সকাল ১১টার দিকে নিখোঁজ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ খাইরুল ইসলাম বলেন, পাবনায় নৌকাডুবিতে আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীর মৃত্যু হওয়ার বিষয়টি শুনেছি৷ সে মেধাবী একজন শিক্ষার্থী ছিলো। তার এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। বিভাগের পক্ষ থেকে আমরা তার ও তার স্বামীর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।

এবিষয়ে পাবনার নাজিরগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই জয়ন্ত চন্দ্র দে বলেন, খবর পেয়ে নাজিরগঞ্জ নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্য ও ডুবুরিদল গতকাল থেকেই উদ্ধার অভিযান শুরু করে। গতকাল উদ্ধার অভিযান কালে তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি। আজ সকাল থেকে আবারও উদ্ধার অভিযানে নামে তারা। সকাল দশটার দিকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ডুবুরিরা। এব্যাপারে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানান।