গাজীপুরের টঙ্গীতে রবিউল ইসলাম মিজান নামে এক ব্যক্তিকে মারধর ও মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে। এঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা বাদশা মিয়া টঙ্গীর পাগার ৪৩ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মার্চ রাত ১১টার দিকে অভিযুক্ত বাদশা রাস্তায় একা পেয়ে রবিউল ইসলামের মাথায় পিস্তল ধরে এলোপাতাড়ি মারধর করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ সময় আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে মোটরসাইকেল নিয়ে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায় সে।
ভুক্তভোগী রবিউল ইসলামের অভিযোগ, বাদশা মিয়া আগেও এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। অভিযুক্তের হুমকির কারণে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং যে কোনো সময় তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে আশংকা করছেন তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানায়, পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনও এলাকায় প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে ঘুড়েছে তিনি। অভিযোগ আছে ৫ আগষ্টের পট পরিবর্তনের পর ২৭ আগস্ট সন্ধ্যায় স্টেশন রোড এলাকায় বিএনপির এক নেতার সাথে বৈঠক করে আপোষ মিমাংসা করে এলাকায় বীরদর্পে চলাফেরা করছেন তিনি ও তার অনুসারীরা। এছাড়া পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে অভিযুক্ত বাদশার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদুল ইসলাম বলেন, থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতামত