চকরিয়ায় বাবা-মা না থাকার সুযোগে বাড়িতে ঢুকে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে মুখ চেপে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে।
ধর্ষণ শেষে পালিয়ে যাওয়ার সময় কিশোরীর চিৎকারে পাশের বাড়ি থেকে দুই চাচা এগিয়ে এসে ধর্ষক যুবককে ঝাপটে ধরে পুলিশে খবর দেয়। এর পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ওই ধর্ষককে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আজ বুধবার ভোররাত তিনটার দিকে উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সেগুন বাগিচা গ্রামের এক দিনমজুরের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
আটকের পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করা ধর্ষকের নাম মোহাম্মদ সাগর (১৯)। সে খুটাখালী ইউনিয়নের একই ওয়ার্ডের ভিলেজার পাড়ার নুরুল আবচারের ছেলে।
চকরিয়া থানায় বুধবার দুপুরে কথা হয় ধর্ষিতা কিশোরীর দিনমজুর বাবার সঙ্গে। এ সময় তিনি বলেন, আমার শ্যালক আজ সৌদিআরব চলে যাবেন। এজন্য আমার কিশোরী মেয়েকে বাড়িতে রেখে স্ত্রীকে নিয়ে শ্যালককে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানাতে পাশের উপজেলা ঈদগাঁওর ভারুয়াখালীস্থ শ্বশুর বাড়িতে চলে যাই। কিন্তু ভোররাতে সেহরি খাওয়ার জন্য মেয়ে জেগে ওঠে এবং বাড়ির দরজা খুললে সে সুযোগে ঢুকে পড়ে পাশের ভিলেজার পাড়ার সাগর।
এ সময় মেয়েকে মুখ চেপে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সে। এর পর সাগর পালিয়ে যাওয়ার সময় মেয়ে চিৎকার দিলে পাশের বাড়িতে থাকা দুই ভাই (মেয়ের চাচা) এগিয়ে এসে ধর্ষক সাগরকে ঝাপটে ধরে এবং পুলিশের জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯-এ কল দেয়। এর কিছুক্ষণ পর পুলিশ বাড়িতে হাজির হলে ধর্ষক সাগরকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনাস্থলে যাওয়া চকরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজীব কুমার সাহা বলেন, ‘৯৯৯ মারফত খবর পেয়ে মেয়ের বাড়িতে যাওয়া হয়। এ সময় সাগরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার পর ভিকটিমসহ তাদের থানায় আনা হয়েছে।’
এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ভিকটিমের পরিবারের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হেফাজতে নেওয়া ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওসিসিতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মতামত